
বিশেষ প্রতিনিধি:
৬ই মার্চ ২০২৬ শুক্রবার জুম্মার নামাজের খুতবা শেষে কুঠিপাড়া মডেল মসজিদ, চর কুঠিপাড়া মসজিদ ও আমলা পাড়া মসজিদের ইমামেরা ঘোষণা দেন জুম্মার নামাজ শেষ করে মডেল মসজিদের পেছন থেকে পূর্ণবাবুর ঘাট পর্যন্ত যতগুলি মাদক ব্যবসায়ী আছে তাদের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন শুরু হবে আর এই আন্দোলনে সবাই শরিক হবেন।
জুম্মার নামাজ শেষ করে
চর কুটি পাড়া সুইচগেটের সামনে এক এক করে আন্দোলনকারীরা জমায়েত হতে থাকে ।
আন্দোলন চলাকালীন সময় দুই জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জনতার হাতে আটক হলে আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দিলে তাদেরকে কান ধরে উঠবস করিয়ে ছেড়ে দেয়।
আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে হুঁশিয়ারি বক্তব্য দেন কুটিপাড়া মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ মাহাবুবুর রহমান তিনি বলেন, যিনি মাদক বিক্রি করেন এবং মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছেন তাদের মধ্য থেকে কেউ যদি মারা যায় তাহার জানাজার নামাজ সে পড়াবেন না এবং কোন হুজুর এই নামাজ পড়াতে পারবেন না এবং ওই বাড়ির কোন ছেলে মেয়ের বিবাহ করাবেন না,
একই সূত্রে সাবেক কাউন্সিলর আতাউল গনি ওসমান বলেন ওই বাড়ির কেউ যদি মারা যায় গোসলের কোন কার্য তিনি বা অন্য কেউ করাতে পারবে না ।
আন্দোলনকারীদের মধ্যে থেকে যুবসমাজের সাদিক হোসেন রোহিত
মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে
বলেন, এ ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে যিনি মারা যান তাদের লাশ কাঁদে বহন করে মাটি দেওয়া কার্য করেন তারা। তিনি আরো বলেন, এই মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক থেকে বেরিয়ে এসে এই নদীরকুলেই আপনারা হালাল রুজির বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করতে পারবেন এবং ব্যবসায়ী কাজের সহযোগিতা সহ অর্থ সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন ।
এদিকে স্থানীয় জন সচেত নাগরিকরা বলেন দীর্ঘ ৪০ বছরের এই মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক নিয়ে ধরা পড়লে তারা দূরত্ব আইনের মাধ্যমে ছাড়া পেয়ে আবারো মাদক ব্যবসা শুরু করে ।
কারণ তাদের সাথে আছে ওই অঞ্চলের কিছু বেকার যুবক অসাধুচক্র ।
বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনকারীদের সাথে মিশে থাকে তারা,
উপরে ফিটফাট কিন্তু দিনশেষে মাদকের ব্যবসার অর্থ ঠিকই বুঝে নেন ।
তাই এই মুহূর্তে সরকারের উচিত একটি সক্রিয় টিম তৈরি করে ওই স্থানে প্রতি সপ্তাহে ভ্রাম্যমান আদালত বসানো উচিত যাতে দূরত্ব ওই ব্যবসায়ীদের সাজ া জনসম্মুখে দিতে পারলে অনেকটা মাদক ব্যবসা কমে আসতে পারে।এটা না হলে আদালত থেকে তারা বের হয়ে আসবে এবং এই ব্যবসা করবেই এটাই তাদের নেশা ও পেশা।
তাই এখনই সম্ভব স্থানীয় সাধারণ জনগণ কে সঙ্গে নিয়ে প্রতি সপ্তায় একদিন করে স্থানীয় প্রশাসন ও একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর স্পটে মাদক ব্যবসায়ীদের কে ধরে সঙ্গে সঙ্গে সাজা প্রাপ্ত দেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের নামের চার্জশিট তৈরি করতে হবে যে চার্জসিট আদালতে গেলে ১০/১৫-২০ বছরেও বের হতে না পারে এমন চার্জশিট তৈরি করতে হবে ।
নতুবা ব্যবসায়ীদের লিখিত মুচলেকা লিখে নিতে হবে যে সে জীবনে আর কোনদিন মাদক ব্যবসা করবে না, যদি কেউ করে তাহলে এই জনগণের সামনে তাদেরকে পিটিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিতে হবে।
এমনভাবে বিচার কার্য হলে অত্র অঞ্চল থেকে মাদক উচ্ছেদ করা সম্ভব হবে তা না হলে না!!