
নিউজ ডেস্ক ঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমাড়শীল মোড়ে অবস্থিত ঢাকার ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা কার্যালয়ের কর্মরত চিকিৎসক ডাক্তার কে এম আব্দুল্লাহ আল নোমান। তার বাসায় গৃহ পরিচারিকার হিসেবে কাজ করত আয়েশা নামের ১১ বছরের এক কিশোরী।
তাকে নয় মাস ধরে বাড়িতে আটকিয়ে রেখে নির্মম নির্যাতন করে ক্ষত-বিক্ষত করেছে। যা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে মেয়েটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
জানা যায়,পরিবারের অভাবের কারনে ৯ মাস পূর্বে মেয়েটির নানা ওই ডাক্তারের বাসায় তাকে গৃহ পরিচারিকার কাজের জন্য পাঠায়।
মেয়েটির মাথায় লম্বা চুল ছিল, তারা চুল গুলো কেটে দেন ওই ডাক্তারের স্ত্রী এবং ছোট খাটো ভুলের কারনে তাকে মাঝে মধ্যেই শারিরীক নির্যাতন করতো।
গত তিন মাস ধরে তার পরিবারের লোকজনের সাথে দেখা পযন্ত করতে দেওয়া হয়নি।
ডাক্তারের চেম্বারে গিয়েও বারংবার আকুতি মিনতি করলেও দেখা করার অনুমতি পায়নি।এমন ই অভিযোগ ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবারের।
পরবর্তীতে কোন উপায় না পেয়ে মেয়েটির পরিবার থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনায় জিডি করেন। পরে ২ নং ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন এর সহযোগিতায় মেয়েটিকে ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে মেয়েটি সদর হাসপাতালে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি আছে । মেয়েটির শরিরে বিভিন্ন সময়ের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
ডাক্তার দম্পতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি চেয়েছেন নির্যাতিতার বাবা-মা ।