
নিউজ ডেস্ক :
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নে সামাজিক দলাদলি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলমান সহিংস বিরোধের অবসান ঘটেছে। কুষ্টিয়া র্যাব-১২ সিপিসি-১ এর সক্রিয় তৎপরতা ও কঠোর অবস্থানের ফলে এলাকার মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরেছে।
প্রেক্ষাপট:
উজানগ্রাম ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে দুইটি বিরোধী গ্রুপের মধ্যে সহিংসতা চলছিল। স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে গঠিত এ গ্রুপ দুটি সামাজিক প্রভাব ও আধিপত্যের জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে ছিল। পরিস্থিতি অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় অক্টোবর মাস থেকে সংঘর্ষের ঘটনা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে বহু নিরীহ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আইনগত পদক্ষেপ:
ধারাবাহিক সহিংসতার কারণে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়, যাতে ১৬৩ জন আসামি সহ অজ্ঞাতনামা ৩৫০-৪০০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এই সহিংসতার কারণে পুরো ইউনিয়নে আতঙ্ক ও সামাজিক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।
র্যাবের ভূমিকা:
র্যাব-১২ সিপিসি-১ এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সহিংসতায় ইন্ধনদাতা ও দোষীদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হলে দুই পক্ষের সামাজিক নেতৃবৃন্দ আলোচনা করে আপোষ-মীমাংসায় পৌঁছান।
ভবিষ্যতের আশা:
এখন এলাকাবাসী একযোগে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করেছেন। উজানগ্রামে শান্তি ফিরে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি এবং সুশাসনের প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।
কুষ্টিয়া র্যাব-১২ সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার (পিপিএম) বলেন, “উজানগ্রামের দীর্ঘদিনের সহিংস বিরোধের অবসান হয়েছে। স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষ ভবিষ্যতে এমন সহিংসতা না করার আশ্বাস দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরবর্তীতে কেউ যদি এরূপ সহিংস কার্যক্রমে জড়িত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উপস্থিত এলাকাবাসী র্যাব ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।