এস এম পান্না, কুষ্টিয়া:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ১ নং কয়া ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই জনপদে জনসেবা ও ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন সুলতানপুর গ্রামের সন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ জিয়া খান। তৃণমূল ভোটারদের মাঝে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এই তরুণ সমাজসেবক এখন কয়া ইউনিয়নবাসীর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
জনসেবায় নিবেদিত এক প্রাণ
শওকত খানের সুযোগ্য পুত্র মোঃ জিয়া খান জনপ্রতিনিধি না হয়েও দীর্ঘ দিন ধরে নিজেকে সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে তার অনুদান ও সহযোগিতা সর্বজনবিদিত। এলাকাবাসীর মতে, বিপদ-আপদে রাত-দিন যখনই তাকে ডাকা হয়, তিনি সাধ্যমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
জনসাধারণের মন্তব্য
সরেজমিনে কয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান, বর্তমানে চারদিকে যখন স্বার্থপরতার রাজনীতি চলছে, তখন জিয়া খান একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি হিসেবে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন:
"পূব-পশ্চিম যে যেদিকেই থাকুক, আমরা সাধারণ মানুষ একজন পরিচ্ছন্ন মানুষ হিসেবে জিয়া খানকেই চিনি। দল-মত নির্বিশেষে তার আচার-ব্যবহারে সবাই মুগ্ধ।"
মাদকমুক্ত ও আধুনিক ইউনিয়নের স্বপ্ন
আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মোঃ জিয়া খান বলেন, তিনি কয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত, সন্ত্রাস ও ইভটিজিং মুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান। বিশেষ করে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে তিনি 'মাদকমুক্ত সমাজ' গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেন:
এলাকাভিত্তিক নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে মাদক নির্মূল করা হবে।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বৃদ্ধি করা হবে।
বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
উন্নয়নের দর্শন
ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে থাকা জিয়া খান বিশ্বাস করেন—উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট নির্মাণ নয়; উন্নয়ন মানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সুশাসন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, "আমি শাসক নই, সেবক হয়ে আজীবন মানুষের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। আমি চাই কয়া ইউনিয়ন হবে পরিকল্পিত উন্নয়ন ও ঐক্যের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।"
ভোটারদের প্রত্যাশা
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ দল-মত নির্বিশেষে জিয়া খানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। উন্নয়নের স্বার্থে এবং মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে তার মতো একজন শিক্ষিত ও মার্জিত তরুণ নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।