ঈশ্বরদী প্রতিবেদক ঃ
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রী জামিলা আক্তার সেতু (১৫) ও তার দাদি সুফিয়া বেগম (৬৫) হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘাতক শরিফুল ইসলাম (৩০) পুলিশের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করে লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে।
ঘাতক শরিফুল সম্পর্কে জামিলার চাচা এবং দাদি সুফিয়া বেগমের আপন ভাগ্নে। জামিলার ওপর আগে থেকেই তার কু-দৃষ্টি ছিল। ঘটনার রাতে শরিফুল ওই বাড়িতে প্রবেশ করলে দাদি তাকে বেরিয়ে যেতে বলেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শরিফুল কাঠের বাটাম দিয়ে দাদির মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এরপর সে জামিলাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করলে জামিলা বাধা দেয়। শরিফুল তাকে বাঁশের খুঁটি ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে অজ্ঞান করে ফেলে। পরে বাড়ির বাইরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে এবং মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শরিফুলকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, বাঁশের খুঁটি ও কাঠের বাটাম উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-০১, তারিখ: ০১/০৩/২০২৬)।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
হে আল্লাহ, আপনি এই নিরপরাধ দাদি ও নাতনিকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং এই পৈশাচিক অপরাধীর কঠিন বিচার নিশ্চিত করুন।
"দাদি ও নাতনিকে এমন পৈশাচিক কায়দায় হত্যার জন্য এই ঘাতকের কী সাজা হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান।"